২০২৬ সালে জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা বাড়বে ১৩.৮০ লাখ ব্যারেল: ওপেক

আগামী বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক।

আগামী বছর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক। একই সঙ্গে ওপেক প্লাস-বহির্ভূত দেশগুলো থেকে সরবরাহ কমবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর রয়টার্স।

সর্বশেষ মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে ওপেক জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা ১৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বাড়তে পারে। এটি সংস্থাটির এর আগে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় দৈনিক এক লাখ ব্যারেল বেশি। যদিও সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ওপেক চলতি বছরের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রেখেছে।

অন্যদিকে ওপেক-বহির্ভূত দেশগুলো থেকে সরবরাহ প্রবৃদ্ধি কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এ দেশগুলো থেকে দৈনিক ৬ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল সরবরাহ বাড়বে, যা আগে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় দৈনিক এক লাখ ব্যারেল কম। এর পেছনে মূল ভূমিকা রাখবে যুক্তরাষ্ট্রে শিলাস্তর থেকে জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমে যাওয়া।

ওপেকের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গত জুলাইয়ে ওপেক প্লাস দৈনিক ৩ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন বাড়িয়েছে। এটি তাদের নির্ধারিত কোটার তুলনায় কিছুটা কম।

এদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) সর্বশেষ মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাসের জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পর আগামী বছর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ আগের পূর্বাভাসের চেয়ে বেড়ে দৈনিক ২৫ লাখ ব্যারেল হতে পারে। এর আগে সংস্থাটির পূর্বাভাস ছিল দৈনিক ২১ লাখ ব্যারেল সরবরাহ বাড়ার। ওপেক প্লাস উত্তোলন বাড়ালেও চলতি বছর ও আগামী বছর বৈশ্বিক সরবরাহ বৃদ্ধির নেতৃত্ব দেবে ওপেক-বহির্ভূত দেশগুলোই।

তবে আইইএ তাদের পূর্বাভাসে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা কমার কথা বলেছে। দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোয় চাহিদা কমে যাওয়ায় এ বছর দৈনিক চাহিদা ৬ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বাড়তে পারে, যা আগের পূর্বাভাসে ছিল সাত লাখ ব্যারেল।

আরও